মায়ের কারনে ফেঁসে গেলেন জেএসসি উত্তীর্ণ ছাত্রী !

এবার নানীর প্ররোচনায় বিপথগামী মায়ের সাথে সিলেটে বেড়াতে গিয়ে ইয়াবাকান্ডে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের এক স্কুলছাত্রী কিশোরী কন্যা ফেঁসে গেলেন। মা শাহানা বেগমের (৩৪) সঙ্গে সিলেটে বেড়াতে যাচ্ছিলেন কিশোরী রোজিনা আক্তার মুক্তা (১৫)। এ সময় তার মাকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আটক করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৯। আটককৃত সৌদি ফেরত শাহানা বেগম সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট উওর ইউনিয়নের মোল্লাপাড়া গ্রামের সাইকেল মেকার মানিক মিয়ার তালাক প্রাপ্তা স্ত্রী ও তার কিশোরী কন্যা রোজিনা উপজেলার বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

loading...

তাদেরকে সিলেটের সীমান্ত উপজেলা জকিগঞ্জ থেকে আটক করা হয়। বর্তমানে দুজনেই সিলেট কেন্দ্রীয় কারা হেফাজতে রয়েছেন। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) র‌্যাব-৯ এর দায়িত্বশীল সুত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সিলেটের সীমান্ত উপজেলা জকিগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী চক্রের নিকট ইয়াবা সরবরাহ করতে আসলে বড়পাথর গ্রামের মাদ্রাসা বাজার হতে শাহানা বেগম ও তার মেয়ে রোজিনা আক্তার মুক্তাকে আটক করেন র‌্যাব-৯ এর টহল দল।

এসময় তাদের কাছে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগে বিশেষ কায়দায় রাখা ৭৫০পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বাণিজ্যিক কেন্দ্র বাদাঘাটের হতদরিদ্র সাইকেল মেকার মানিক মিয়া গণমাধ্যমকে জানান, ‘বিপথগামীতার কারনে প্রায় এক যুগ (১২) বছর পুর্বে আমি শাহানাকে তালাক প্রদান করি এরপর সে নিজের ইচ্ছায় সৌদি আরব চলে যায়।’ তিনি আরও বলেন,

‘চলতি বছর জেএসএসসি পরীক্ষা শেষে আমার ওরসজাত কন্যা রোজিনাকে সিলেট শাহজালাল (রহ.)’র মাজার জিয়ারতের কথা বলে ফুঁসলিয়ে বাড়ি থেকে তার নানী (শাহানা’র মা) নিয়ে যান, আমি গরীব মানুষ, কষ্ট করে মেয়েকে লেখাপড়া করাচ্ছি, মাজার জিয়ারতের নামে সিলেটে বিপথগামী মায়ের সাথে বেড়াতে গিয়েই আমার কিশোরী কন্যা ফেঁসে গেছে হয়ত।’ তার কিশোরী কন্যা ইয়াবা কারবারী নয় বলেও দাবি করেন স্কুল ছাত্রী রোজিনা আক্তার মুক্তার হত দরিদ্র পিতা মানিক।

También le puede gustar...